হাওজা নিউজ এজেন্সি: পেজেশকিয়ান সোমবার সকালে ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনি (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের সময় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “শত্রুর আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্র থেকে দেশকে রক্ষা করার প্রধান উপাদান হলো জাতীয় ও আঞ্চলিক সংহতি। দেশের ভেতরে বা মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি মানে সরাসরি ইসরায়েলের হাতকে শক্তিশালী করা।”
ইরানি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানিদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চায় এবং মুসলিম দেশগুলোকেও পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের বুঝতে হবে, আমরা বিভক্ত হতে পারি না। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বৈরিতা বা রূঢ় আচরণ নয়; তারা আমাদের ভাই।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমাদের সব প্রতিবেশীই ভাই ও আপনজনের মতো। আজ যে বিভাজন ও বিরোধ দেখা যাচ্ছে, তা ঔপনিবেশিক শক্তি ও ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীর সৃষ্টি। মুসলমানদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। দেশে বা মুসলিম জাতিগুলোর মধ্যে বিভাজনের যেকোনো প্রচেষ্টা আসলে ইসরায়েলের স্বার্থে কাজ করে।”
পেজেশকিয়ান বলেন, “যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি, শত্রু কখনো মুসলমানদের অবজ্ঞার চোখে দেখার সাহস করবে না। আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে, বাস্তবে দেখাতে হবে যে আমরা জনগণের সেবায় নিবেদিত। তাদের সমস্যার সমাধানে কখনো অবহেলা করা যাবে না। দেশের ভেতরে এবং মুসলিম প্রতিবেশীদের সঙ্গেও আমরা প্রতিদিন ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বকে আরও মজবুত করব।”
আপনার কমেন্ট